• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
Headline
উল্টো পথে বাইক চালানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা, দম্পতির ৭ দিনের কারাদণ্ড রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ৪র্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা, গবেষণা ও চিকিৎসাসেবার সমন্বিত কেন্দ্র: ডা. রফিক বিক্ষোভ মিছিলের আগে সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদের সরকারি দল ও বিরোধীদল আমাদের ওপর হামলা করতে পারে: জিএম কাদের আইপিআই প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যাহ্নভোজ বৈঠক কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক তারেক রহমান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

দিনাজপুরে OMS চাল-আটা বিক্রিতে ব্যাপক অনিয়ম: তদারককিহীন ডিলারদের স্বেচ্ছাচারিতা, নীরব কর্তৃপক্ষ ‎

Reporter Name / ১৩০ Time View
Update : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

 

‎নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

‎দিনাজপুর জেলায় সরকারি OMS (ওপেন মার্কেট সেল) চাল ও আটা বিক্রিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালাকে উপেক্ষা করে ডিলাররা নিজেদের ইচ্ছেমতো নিয়ম তৈরি করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছেন। অথচ মাঠ পর্যায়ের তদারককারী কর্মকর্তা ও খাদ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ে পুরোপুরি নীরব ভূমিকা পালন করছেন।

‎সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, OMS ডিলারশিপ পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট মুদি দোকান থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু দিনাজপুরে অধিকাংশ ডিলার কোনো মুদি দোকান ছাড়াই কার্যক্রম চালাচ্ছেন। বিভিন্ন গলির ভেতরে ছোট ছোট ঘর বা অস্থায়ী স্থানে চাল-আটা বিক্রি করা হচ্ছে, যা OMS নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, ডিলাররা চাল ও আটা বিক্রির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিজস্ব নিয়ম চাপিয়ে দিয়েছেন। তারা সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে ভোটার আইডি কার্ড জমা নিচ্ছেন এবং সপ্তাহে মাত্র ১ দিন পণ্য দেবেন বলে নির্দিষ্ট তারিখ বেঁধে দিচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে এমন কোনো নিয়ম না থাকলেও ডিলাররা সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। এতে নিম্নআয়ের মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। OMS কার্যক্রমে নিয়োজিত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের ডিউটি চলাকালীন নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পরার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু সরেজমিনে কোনো পয়েন্টেই কোনো কর্মচারীর গায়ে নির্ধারিত পোশাক দেখা যায়নি। ফলে আসল কর্মচারী ও বহিরাগতদের চেনা সাধারণ মানুষের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।

এসব অনিয়ম প্রতিদিন চোখের সামনে ঘটলেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না দায়িত্বপ্রাপ্ত তদারককারী কর্মকর্তা বা অফিস কর্তৃপক্ষ।

‎এ বিষয়ে দিনাজপুর জেলা ও উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। উল্টো দায়সারাভাবে তারা জানান, “তাদের কোনো বরাদ্দ নেই।” কর্মকর্তাদের এমন মন্তব্য অনিয়মকারীদের আরও বেশি উৎসাহিত করছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

‎অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, কোনো ডিলার পয়েন্টে ডিও পাওয়া যায়নি। তবে অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে এক ডিও চালানের বিপরীতে চারজনের ডুপ্লিকেট কপির ছবি পাওয়া গেছে।

‎সাধারণ মানুষের দাবি, অবিলম্বে এই অনিয়ম বন্ধ করে OMS কার্যক্রম স্বচ্ছ করা হোক। পাশাপাশি দুর্নীতিবাজ ডিলার ও উদাসীন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category