নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা: অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর আজ সংসদ সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।
ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত একাধিক নেতার নামও আলোচনায় আসে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানকে অন্যায়, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে স্পষ্ট হয়েছে, জনপ্রতিনিধি কিংবা ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট—কেউই জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে জনবান্ধব রাজনৈতিক চিন্তার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে অনেকে বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য। অন্যায় বা দুর্নীতির সঙ্গে যারই সম্পৃক্ততা থাকুক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন একটি পরিষ্কার বার্তাই এ ঘটনায় উঠে এসেছে।
জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে আইনের শাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।